Friday, September 22, 2017

পাহাড়ের ভাঁজে ভাঁজে, স্বর্গের খোঁজ (পার্ট – ৩)

নাফাখুমের পথে (১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৭)

থুইসাপাড়া থেকে নাফাখুমের পথে যাত্রা শুরু করলাম সকাল ৭টায়। সিমিয়ান দাদা বললেন এ পথে আর তেমন কোন পাহাড় নেই। শুধু ঝিরিপথ আর খাল। আমি খাল নিয়ে ভয়ে আছি। কেননা কাল দুপুরে অনেক বৃষ্টি হয়েছে। খালের পানি বেড়ে গেলে পার হতে সমস্যা। তবে ভরসার কথা হলো আমাদের সাথে রশি, লাইফজ্যাকেট ও আরো দুইজন গাইড রয়েছে।

পাহাড়ের ভাঁজে ভাঁজে, স্বর্গের খোঁজ (পার্ট – ২)

জুমঘরের সকাল (১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৭)

ঘুম ভেঙ্গে গেলো মুরগীর ডাকে। জুমঘরে কিছু মুরগী উঠে ডাকাডাকি শুরু করলো। এই পাহাড়ের জুমঘর থেকে মুরগী ডাক দেয় আর সামনের পাহাড়ের জুমঘর থেকে আরো কয়েকটি মুরগী সেই ডাকের উত্তর দেয়। মুরগীদের এই মিটিংয়ের মধ্যে আর ঘুমানো সম্ভব না। উঠে দেখলাম মেঘের মধ্যে বসে আছি। চারপাশে মেঘ। ঠান্ডা লাগছে শরীরে।

পাহাড়ের ভাঁজে ভাঁজে, স্বর্গের খোঁজ (পার্ট – ১)

প্রকৃতির ভিন্ন ভিন্ন উপাদানগুলো ভিন্ন ভিন্ন মানুষকে আকর্ষণ করে। কেউ সমুদ্র ভালোবাসে, কেউ দ্বীপ, কেউবা আবার প্রাচীন স্থাপত্য দেখতে ছুটে যায় বহুদূরে। আমাকে পাহাড় আকর্ষণ করে সবচেয়ে বেশি। আর পাহাড় অনুভব করতে চাইলে বাংলাদেশের বান্দরবান জেলার কোন জুড়ি নেই।



Sunday, July 16, 2017

আমার কি সিএসই পড়া ঠিক হবে - কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার আগে যা জানা উচিত

তোমরা হয়তো কলেজের গণ্ডি পার হয়ে যাচ্ছো। অনেকেই এইচএসসি পরীক্ষা দিয়েছো অথবা পরীক্ষার ফল প্রকাশ হয়ে গেছে। তোমাদের জন্যই আজ এই ব্লগপোস্টটি লেখা। এসময়ে অনেকেই তাদের স্টাডি লাইফ নিয়ে সাজেশন চায়। কে কোন বিষয়ে পড়বে, কোথায় পড়বে- এসব নিয়ে খুব চিন্তায় থাকে। আমার এই পোস্টটি মূলত যারা মোটামুটি ঠিক করে ফেলেছো কম্পিউটার সায়েন্স ও ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে পড়বে তাদের জন্য। যারা পড়া শুরু করে দিয়েছো তারাও দেখে নিতে পারো। 


এখন বাংলাদেশের সাবজেক্টগুলোর মধ্যে একটি হট সাবজেক্ট হলো কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং। আগে সবাই হুড়মুড় করে বিবিএ পড়তো। এখন সবাই দল বেধে ঢুকে যায় কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তে। তবে কোন চিন্তাভাবনা না করেই ট্রেন্ডের সাথে তাল মিলিয়ে এই সাবজেক্টটি পড়তে গেলে ভয়ানক সমস্যায় পড়ে যেতে পারো। আগে বুঝতে হবে তোমার জন্য কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং পড়াটা ঠিক হবে কিনা। নাহলে সামনে প্রচুর বিপদ। কোন ধারণা না নিয়েই সিএসই পরতে গেলে হয়তো তোমার পাশ করতে চার বছরের জায়গায় আট বছরও লেগে যেতে পারে। হয়তো তুমি পড়াশোনা মাঝপথে ছেড়ে দিতে পারো। আগে বিষয়টার ধারণা পরিষ্কার করতে হবে। তারপর কোন এক বিশ্ববিদ্যালয়ে সিএসইতে ভর্তি হবে।

Monday, June 5, 2017

ছোট্ট কিন্তু অসাধারণ সুন্দর ও কঠিন একটি গেইম LIMBO [গেইম রিভিউ]


শেষ কবে ভিডিও গেইম খেলতে গিয়ে মাথার চুল ছিড়েছেন মনে আছে কি? আজ একটি গেইমের কথা বলবো যেটি খেলতে গিয়ে প্রচুর মাথা খাটাতে হয়। বলছি পাজল-প্লাটফর্মার গেইম লিম্বো (Limbo) এর কথা। এই ২ডি গেইমে আপনাকে নানান সমস্যার সমাধান করে এগিয়ে যেতে হবে। আর গেইম খেলার সময় আটঁকে যাবেন এবং চিন্তা করে সমাধান বের করতে হবে।
 
           


প্লেডেড নামের একটি ইন্ডি গেইম স্টুডিও ২০১০ সালে এক্সবক্স এর জন্য এই লিম্বো গেইমটি বাজারে ছাড়ে। এরপর সেটি পিসি, মোবাইল, প্লেস্টেশনসহ আরো কিছু গেমিং কনসোলে ছাড়া হয়। গেইমটি আপনার এন্ড্রয়েড মোবাইল বা আইফোনেও খেলতে পারবেন। তবে ফ্রিতে নয়।

Saturday, May 6, 2017

গল্পের বই আবার মাইনষে পড়ে?

আগে প্রচুর বই পড়তাম। ছোটবেলা থেকেই যখন জেনেছি পড়াশোনার বই বাদেও আরো বই আছে যেগুলো পড়ে মজা পাওয়া যায় সেদিন থেকেই বই পড়ার শুরু। ক্লাস টু থেকেই গল্পের বইয়ের বিশাল ফ্যান হয়ে গেলাম। একটা মাঝারি আকারের বই ধরে এক বসায় পড়ে শেষ করে দিতাম। কখনো রাত পার হয়ে দিন হয়ে যেতো। পরের দিন সকালে স্কুল মিস হতো।

আস্তে আস্তে বড় হতে থাকলাম। তখন বাইরে যাওয়া আসা করতাম কিছুটা। টিফিনের টাকা জমিয়ে গল্পের বই কিনতাম। স্কুলের সামনে নানান রকম জিনিসের দোকান বসতো। সেখানে মাত্র ৫ টাকায় ছোট্ট গল্পের বই পাওয়া যেত। খুবই সস্তাদরের কাগজে প্রিন্ট করা ছিলো বইগুলো। রাক্ষস-খোক্ষসের কাহিনী, ভূতের কাহিনী, হাসির কৌতুক এসব নাম ছিলো
বইগুলোর। কাহিনী অখাদ্য হলেও সেগুলো পড়তাম মাঝে মাঝেই। এরপর পরিচয় হলো বইমেলার সাথে। আম্মুর সাথেই প্রথম বইমেলায় যাওয়া। ঠিক মনে নাই কবে। তবে এই বইমেলা নামক আজব জায়গাটা আমার বড়ই পছন্দ হলো। এত্ত এত্ত বই এক জায়গায় একসাথে... এত্ত মানুষ বই কিনছে ! এরপর থেকে বইমেলার জন্য সারা বছর অপেক্ষা করতাম। মেলা থেকে বস্তা ভরে বই কিনে আনতাম। এক সপ্তাহেই পড়ে শেষ করে ফেলতাম। তারপর আবার বইয়ের জন্য হাহাকার শুরু হতো।

Wednesday, October 12, 2016

২১-২২ বছরের জীবন যেমন




একটা মানুষের ২১-২২ বছরের জীবন কেমন হয়? আমার মনে হয় এই বয়সটা একটা ভ্যাবাচ্যাকা খাওয়া বয়স। এসময়ই জীবন নিয়ে চিন্তা করার ইচ্ছা হয়। এজন্যই তো এই বয়সে এসে এই "জীবন কেমন হয়" টপিক নিয়ে লেখার ইচ্ছা হলো। সবার ক্ষেত্রে অবশ্য একরকম হয় না। তবে অনেক কিছুই কমন থাকে এই বয়সের সবার মধ্যে। আমার ২১-২২ বছর বয়স কাটছে একটি মধ্যবিত্ত সাধারণ চোখ দিয়ে দেখে।


২১-২২ বছরের এই সময়টাতে একটা মানুষ না থাকে কিশোর, না থাকে যুবক। বাইরের দেশগুলোতে ১৮ বছর বয়স হলেই সন্তানেরা বাবা-মা থেকে দূরে থাকতে শুরু করে। সেদেশের ছেলেমেয়েরা ১৮+ হলেই অনেক বেশি ম্যাচিউরড হয়ে যায়।

Hi ! I'm Raad. And this my personal blog. Welcome to my blog.